28.3 C
Agartala
Saturday, April 13, 2024
- Advertisemet -spot_img

বাবরের ফর্ম, পেসার’র চোট, চাপে পাকিস্তান

দুবাই : সুপার সানডে আজ। ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে সেই প্রিয় দিন। ফের মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তানহ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় বার। পাকিস্তানের কাছে আরও একটা অস্বস্তির দিন হতে পারে। এ বারের এশিয়া কাপে প্রথম সাক্ষাতে পাঁচ উইকেটে জয় পেয়েছে ভারত। গত টি ২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল। বিশ্বকাপের মঞ্চে সেটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম জয়। এক বছরও হয়নি। তার বদলা নিয়েছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত। এ বার আরও পিছন ফিরে তাকানো নয়। সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একবার একই ফলের লক্ষ্যে ভারত। পাকিস্তানের কাছে বদলার ম্যাচ কোনও ভাবেই স্বস্তির নয়।

আইসিসি টি ২০ ব্যাটসম্যানদের ক্রমতালিকায় শীর্ষে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ভারতের বিরুদ্ধে এবার প্রথম সাক্ষাতে ব্যর্থ। এমনকি হংকংয়ের মতো দলের বিরুদ্ধেও রান করতে পারেননি বাবর। ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সাক্ষাতে তাঁর ব্যাটিংয়ে ভরসা থাকবে পাকিস্তান শিবিরের। ফের ব্যর্থ হলে! চাপে পড়তে বাধ্য পাকিস্তান। প্রথম সাক্ষাতে আরেক ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান রান পেলেও প্রচুর ডট বল ছিল তাঁর ইনিংসে। স্ট্রাইকরেট খুবই কম। পাকিস্তানের মিডল অর্ডারেও কেউ বিধ্বংসী ইনিংস খেলতে পারেননি। মাত্র ১৪৭ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। তুলনামূলক ভাবে পাকিস্তানের বোলিং লাইন আপ অল্প রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই করেছিল। ভারতের বিরুদ্ধে ফের সাক্ষাতের আগে নতুন করে চোট সমস্যায় পাকিস্তান।

ভারতের বিরুদ্ধে সুপার ফোরের ম্যাচের আগে চোটে ছিটকে গিয়েছেন পাকিস্তানের পেসার শাহনওয়াজ দাহানি। গত দু ম্যাচে নাসিম শাহর সঙ্গে নতুন বল সামলেছেন দাহানি। তাঁর ছিটকে যাওয়া পাকিস্তানের কাছে বড় ধাক্কা। প্রতিযোগিতার আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের বাঁ হাতি পেসার শাহিন আফ্রিদি। বাঁ হাতের পেসার না থাকায় এবার এমনিতেই বোলিং লাইনআপে বড় ফাঁক তৈরি হয়েছে তাদের। দাহানি ছিটকে যাওয়ায়, নতুন করে হয়েছে সমস্যা। বিশেষত ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপের সামনে। নাসিম শাহ, হ্যারিস রউফের সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবে থাকবে কে? প্রশ্ন পাকিস্তান শিবিরেও। বিকল্প রয়েছেন দু-জন হাসান আলি এবং মহম্মদ হাসনেইন। প্রথম জন এশিয়া কাপের স্কোয়াডে সুযোগই পেতেন না। শেষ মুহূর্তে মহম্মদ ওয়াসিম ছিটকে যাওয়ায় স্কোয়াডে যোগ করা হয় হাসান আলিকে। ফর্মের কারণেই বাদ পড়েছিলেন। অন্যদিকে, মহম্মদ হাসনেইনের অভিজ্ঞতা কম। ভারতের বিরুদ্ধে তাঁকে খেলানো খুবই চাপের হবে। এই রকম হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্নায়ুর চাপ সামলে রাখা সহজ নয়। অভিজ্ঞতা না থাকলে সমস্যা আরও বেশি। অনভিজ্ঞতা এবং অফ ফর্ম। এই দু-জনের মধ্যে কোনও একজনকে বেছে নেওয়া যথেষ্ট ঝুঁকির।

Related Articles

যোগাযোগ রেখো

82,829ভক্তমত
834অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করা
1,320গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

সাম্প্রতিক প্রবন্ধসমূহ